মিরপুর ১৫ লাখে জমি ১৫০০ বর্গফুট সাগুফতায়

ঢাকার মিরপুর • সাগুফতা

মিরপুর সাগুফতায় মাত্র ১৫ লাখ টাকায় ১৫০০ বর্গফুট জমি!

ঢাকার মধ্যে নিজের জমির স্বপ্ন এবার আরও সহজ হতে পারে

বিশেষ অফার
১৫ লাখ টাকা
১৫০০ বর্গফুট জমি
লোকেশন: সাগুফতা, মিরপুর, ঢাকা

ঢাকার মধ্যে জমি কিনতে গেলে প্রথমেই যে বিষয়টি সামনে আসে সেটি হলো বাজেট। বিশেষ করে মিরপুরের মতো একটি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জমি কেনার কথা চিন্তা করলে অনেকেই ধরে নেন যে এর জন্য বড় অঙ্কের টাকা প্রয়োজন হবে। কিন্তু সাগুফতায় ১৫০০ বর্গফুট জমি মাত্র ১৫ লাখ টাকায় পাওয়ার এই তথ্যটি সেই ধারণাকেই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

সাগুফতা মিরপুর এলাকার এমন একটি স্থান, যেখানে এখনো কিছু জায়গায় তুলনামূলকভাবে খোলামেলা পরিবেশ দেখা যায়। একদিকে রয়েছে সবুজ ও প্রকৃতির আবহ, অন্যদিকে আশপাশে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন আবাসিক ভবন। ফলে যারা শহরের মধ্যে থেকেও তুলনামূলক খোলামেলা পরিবেশে নিজের বাড়ি করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য জায়গাটি আগ্রহের কারণ হতে পারে।

🏡 কেন এই জমিটি আলোচনায়?

  • ১৫০০ বর্গফুট জমি
  • মূল্য মাত্র ১৫ লাখ টাকা বলে প্রচার করা হচ্ছে
  • লোকেশন সাগুফতা, মিরপুর
  • আশপাশে আবাসিক ভবন রয়েছে
  • শহরের প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা কাছাকাছি
  • বাড়ি নির্মাণের সুযোগ
  • নির্মাণ ব্যয় মাসিকভাবে পরিশোধের সুযোগ থাকার কথা বলা হচ্ছে
  • সীমিত সংখ্যক প্লট—মাত্র ১৩টি

🌿 সাগুফতা—মিরপুরের খোলামেলা একটি আবাসিক এলাকা

সাগুফতাকে অনেকেই মিরপুরের “নিউ ইয়র্ক” বলে উল্লেখ করেন। এলাকার আধুনিক আবাসিক সম্ভাবনা ও অবস্থানের কারণে এই নামটি অনেকের কাছে পরিচিত। তবে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে সেটি হলো—এখনো অনেক জায়গায় তুলনামূলক খোলা পরিবেশ দেখা যায়।

চারপাশে প্রকৃতির আবহের পাশাপাশি বিভিন্ন আবাসিক ভবনও রয়েছে। অর্থাৎ এটি এমন কোনো সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন জায়গা নয় যেখানে বসতি গড়ে ওঠার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে। বরং আশপাশে বসতি ও প্রয়োজনীয় সুবিধা থাকায় নিজের বাড়ি করার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এটি বিবেচনা করা যেতে পারে।

🏠 জমি কিনে নিজের বাড়ি করার পরিকল্পনা

একটি নিজের বাড়ি করার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। কিন্তু ঢাকার মধ্যে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় জমির মূল্য। ১৫০০ বর্গফুট জায়গা যদি আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে সেখানে ভবিষ্যতে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাড়ি নির্মাণের চিন্তা করা যেতে পারে।

বিশেষ করে যারা দীর্ঘমেয়াদে ঢাকার মধ্যে নিজের একটি স্থায়ী ঠিকানা তৈরি করতে চান, তাদের জন্য জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সাগুফতার মতো এলাকায় জমি নিয়ে ভবিষ্যতে বাড়ি করার আগে অবশ্যই স্থানীয় পরিবেশ, রাস্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ড্রেনেজ এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধা সরেজমিনে দেখে নেওয়া উচিত।

সবচেয়ে আলোচিত বিষয়

বাড়ি নির্মাণের খরচ মাসে মাসে দেওয়ার সুযোগ!

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জমি কেনার পর বাড়ি নির্মাণের খরচ একসঙ্গে না দিয়ে মাসিকভাবে পরিশোধ করার সুযোগ থাকার কথা বলা হচ্ছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এমন ব্যবস্থা থাকলে সেটি আলাদা সুবিধা তৈরি করতে পারে।

সাধারণত জমি কেনার পর বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে একসঙ্গে বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন হয়। কিন্তু যদি কোনো প্রকল্পে নির্মাণ ব্যয় পর্যায়ক্রমে বা মাসিকভাবে পরিশোধের ব্যবস্থা থাকে, তাহলে অনেকের জন্য পরিকল্পনাটি তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।

তবে এই সুবিধার প্রকৃত শর্ত, মাসিক কিস্তির পরিমাণ, মোট নির্মাণ ব্যয়, নির্মাণের সময়সীমা, নির্মাণের মান এবং চুক্তির অন্যান্য বিষয় অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিতভাবে জেনে নিতে হবে।

💰 মাত্র ১৫ লাখ টাকায় ১৫০০ বর্গফুট!

১৫০০ বর্গফুট জমির জন্য ১৫ লাখ টাকার মূল্য শুনলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকের আগ্রহ তৈরি হবে। বিশেষ করে মিরপুরের মতো ঢাকার একটি পরিচিত এলাকায় এমন দাম অনেকের কাছেই আকর্ষণীয় মনে হতে পারে।

তবে জমির মূল্য নির্ধারণে শুধু এলাকার নাম নয়, নির্দিষ্ট লোকেশন, রাস্তার অবস্থান, জমির শ্রেণি, কাগজপত্র, দখল, আশপাশের উন্নয়ন এবং অন্যান্য বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত মূল্যকে প্রাথমিক তথ্য হিসেবে ধরে নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে প্রকৃত মূল্য ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করা উচিত।

সীমিত সংখ্যক প্লট
মাত্র ১৩টি

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই দামে সীমিত সংখ্যক জমি রয়েছে।

📍 লোকেশন দেখার আগে সিদ্ধান্ত নয়

জমির বিজ্ঞাপনে ছবি বা ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে সরাসরি লোকেশনে গিয়ে জায়গাটি দেখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন সাগুফতার নির্দিষ্ট জায়গায় যাবেন, তখন রাস্তা, আশপাশের ভবন, পরিবেশ, যোগাযোগ এবং জমির বাস্তব অবস্থান নিজের চোখে দেখতে পারবেন।

জমিটি আপনার প্রত্যাশার সঙ্গে মিলছে কি না, বাড়ি নির্মাণের জন্য উপযুক্ত কি না এবং ভবিষ্যতে পরিবারের জন্য সুবিধাজনক হবে কি না—এসব বিষয় সরেজমিনে দেখার পরই ভালোভাবে বোঝা সম্ভব।

📜 সাফ-কবলা রেজিস্ট্রেশনের আগে যা যাচাই করবেন

জমি কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করুন:

  • মূল দলিল ও পূর্বের দলিলসমূহ
  • খতিয়ান ও দাগ নম্বর
  • নামজারি/খারিজের তথ্য
  • ভূমি উন্নয়ন করের অবস্থা
  • জমির প্রকৃত মালিকানা
  • জমির দখল
  • রাস্তার অবস্থান ও প্রস্থ
  • জমির পরিমাপ
  • মৌজা ম্যাপ ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ড
  • কোনো মামলা বা বিরোধ আছে কি না

বিশেষ করে সাফ-কবলা রেজিস্ট্রেশন করার আগে অভিজ্ঞ আইনজীবী বা ভূমি বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তির মাধ্যমে দলিল ও মালিকানার ধারাবাহিকতা যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কম দাম আকর্ষণীয় হলেও জমির আইনগত নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

📞 ঠিকানা, ফোন নম্বর ও বিস্তারিত তথ্য পেতে

আপনি যদি এই জমিটির সঠিক লোকেশন, ঠিকানা, ফোন নম্বর অথবা জমি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান, তাহলে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

⏳ বাটনে ক্লিক করার পর তথ্য প্রস্তুত হতে ৯ সেকেন্ড সময় লাগবে।

📍 ঠিকানা ও ফোন নম্বর জানতে চান?

নিচের বাটনে ক্লিক করুন। ৯ সেকেন্ড পর বিস্তারিত তথ্যের লিংক ওপেন হবে।

🚗 কীভাবে লোকেশন ও যোগাযোগের তথ্য পাবেন?

আপনি যদি এই জমিটির নির্দিষ্ট অবস্থান জানতে চান, তাহলে নিচের বাটনে ক্লিক করে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। বাটনে ক্লিক করার পর একটি বিশেষ অপেক্ষার স্ক্রিন দেখা যাবে। সেখানে ৯ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন চলবে এবং কাউন্টডাউন শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট তথ্যের লিংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওপেন হবে।

🔎 বিস্তারিত তথ্য দেখতে চান?

৯ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন—তারপর বিস্তারিত তথ্যের লিংক ওপেন হবে।

🌳 কেন সরেজমিনে দেখে আসা জরুরি?

জমি কেনা সাধারণ কোনো কেনাকাটা নয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি একটি বিনিয়োগ। তাই বিজ্ঞাপনের তথ্যের পাশাপাশি নিজের চোখে জমি দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে আশপাশের পরিবেশ, রাস্তাঘাট, যানবাহন চলাচল, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং অন্যান্য সুবিধা দেখে নিতে হবে।

আপনি যদি ভবিষ্যতে বাড়ি করতে চান, তাহলে স্থানীয় নির্মাণ বিধিমালা ও অনুমোদনের বিষয়গুলোও আগে জেনে নেওয়া উচিত। জমির আয়তন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যথেষ্ট কি না এবং আপনার কাঙ্ক্ষিত ভবন সেখানে নির্মাণ করা সম্ভব কি না—এসব বিষয়ও প্রকৌশলী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নিশ্চিত করা ভালো।

🏙️ ঢাকার মধ্যে নিজের ঠিকানা করার সুযোগ?

ঢাকার মধ্যে নিজের একটি জমি থাকা অনেক পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। বিশেষ করে মিরপুরের মতো পরিচিত এলাকায় যদি তুলনামূলক কম বাজেটে জমি পাওয়া যায়, তাহলে সেটি স্বাভাবিকভাবেই মানুষের আগ্রহ তৈরি করবে।

সাগুফতার এই ১৫০০ বর্গফুট জমির অফার সেই কারণেই আলোচনায় আসতে পারে। মাত্র ১৫ লাখ টাকার মূল্য, সীমিত সংখ্যক প্লট এবং ভবিষ্যতে বাড়ি নির্মাণের সম্ভাবনা—সবকিছু মিলিয়ে এটি সম্ভাব্য ক্রেতাদের জন্য একটি আকর্ষণীয় প্রস্তাব হতে পারে।

আপনার জমি কি সাগুফতায় হবে?

১৫০০ বর্গফুট জমি, মিরপুরের সাগুফতা এবং মাত্র ১৫ লাখ টাকার প্রস্তাব—আপনার বাজেটের সঙ্গে মিলে গেলে আগে লোকেশন দেখুন, কাগজপত্র যাচাই করুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

গুরুত্বপূর্ণ নোট:
এই লেখায় জমির মূল্য, আয়তন, প্লট সংখ্যা, নির্মাণ খরচ মাসিকভাবে পরিশোধের সুযোগ এবং অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট প্রচারমূলক তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। জমি কেনার আগে সরেজমিনে পরিদর্শন, মালিকানা ও দলিল যাচাই, সরকারি রেকর্ড পরীক্ষা এবং প্রয়োজন হলে আইনজীবী/ভূমি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মূল্য, প্রাপ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে।

উত্তরায় ১৮ লাখে ১৩০০ স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট


🏠 কম খরচে উত্তরায় ফ্ল্যাটের শেয়ার

১,৩৫০ স্কয়ার ফিটের ল্যান্ড শেয়ার মাত্র সাড়ে ১৮ লাখ টাকায়!

🔥 উত্তরায় ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার নতুন সুযোগ

উত্তরায় একটি ভালো লোকেশনে ফ্ল্যাট কেনার কথা ভাবছেন? কিন্তু রেডি ফ্ল্যাটের দাম যদি ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা বা তার কাছাকাছি হয়, তাহলে অনেকের জন্য একসঙ্গে এত বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করা কঠিন হয়ে যায়। সেই জায়গায় ল্যান্ড শেয়ারভিত্তিক একটি প্রজেক্ট তুলনামূলক কম প্রাথমিক বিনিয়োগে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার একটি বিকল্প সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এখানে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১,৩৫০ স্কয়ার ফিটের ল্যান্ড শেয়ার পাওয়া যাচ্ছে মাত্র সাড়ে ১৮ লাখ টাকায়। অর্থাৎ যারা উত্তরায় জমির অংশের সঙ্গে ভবিষ্যতে একটি ফ্ল্যাট পাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য বিষয়টি আগ্রহের হতে পারে।

শুধু ল্যান্ড শেয়ার কেনার বিষয় নয়—এই প্রজেক্টের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, কনস্ট্রাকশন খরচসহ মোট আনুমানিক ৪০ থেকে ৪২ লাখ টাকার মধ্যে ফ্ল্যাটটি সম্পন্ন হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তবে নির্মাণ ব্যয়, ভবিষ্যৎ বাজারদর এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বুকিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সম্পূর্ণ লিখিত হিসাব জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

📋 প্রজেক্টের উল্লেখযোগ্য তথ্য

📐
ল্যান্ড শেয়ার

১,৩৫০ স্কয়ার ফিট

💰
ল্যান্ড শেয়ারের মূল্য

সাড়ে ১৮ লাখ টাকা

🏗️
মোট আনুমানিক খরচ

৪০–৪২ লাখ টাকা

⏳
সম্ভাব্য সময়

প্রায় সাড়ে ৩ বছর

📍 লোকেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রজেক্টটির লোকেশন হিসেবে বলা হয়েছে শাহজালাল ব্যাংকের পাশের এলাকা। পাশাপাশি রয়েছে ৪০ ফিট মেইন রোড এবং ২১ ফিট সাইড রোড। একটি আবাসিক বা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রাস্তার প্রশস্ততা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে মেইন রোডের সঙ্গে সংযোগ থাকলে দৈনন্দিন যাতায়াত, গাড়ি চলাচল এবং ভবিষ্যৎ এলাকার উন্নয়নের বিষয়গুলো বিবেচনা করা যায়।

তবে কোনো প্রজেক্টের লোকেশন ভালো মনে হলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। জমির সঠিক অবস্থান, রাস্তার প্রকৃত প্রস্থ, জমির কাগজপত্র, মালিকানা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সরেজমিনে ও নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

💰 দামের তুলনায় কেন আগ্রহ তৈরি হতে পারে?

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই এলাকার একটি রেডি ফ্ল্যাট কিনতে বর্তমানে প্রায় ৮০–৯০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। অন্যদিকে এই প্রজেক্টে ল্যান্ড শেয়ার ও নির্মাণ খরচ মিলিয়ে আনুমানিক ৪০–৪২ লাখ টাকা খরচের কথা বলা হচ্ছে।

ফলে একই এলাকার রেডি ফ্ল্যাটের তুলনায় প্রাথমিকভাবে অনেক কম বাজেটে একটি ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার পরিকল্পনা করা সম্ভব হতে পারে। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে—রেডি ফ্ল্যাট এবং নির্মাণাধীন/ভবিষ্যৎ ফ্ল্যাটের সময়, ঝুঁকি, পেমেন্ট কাঠামো এবং চূড়ান্ত খরচ এক নয়।

⏳ সময় লাগবে প্রায় সাড়ে ৩ বছর

এই প্রজেক্টে ফ্ল্যাট সম্পন্ন করতে আনুমানিক সাড়ে তিন বছর সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ যারা এখনই রেডি ফ্ল্যাটে উঠতে চান, তাদের জন্য এটি রেডি ফ্ল্যাটের বিকল্প নয়। বরং যারা কয়েক বছর অপেক্ষা করে নিজেদের ফ্ল্যাট তৈরি হওয়ার সুযোগ নিতে চান, তাদের জন্য এটি বিবেচনার একটি বিষয় হতে পারে।

নির্মাণের সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে জমির প্রস্তুতি, অনুমোদন, নির্মাণ কাজের গতি, অর্থপ্রদানের সময়সূচি এবং অন্যান্য বাস্তব পরিস্থিতি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই চুক্তিপত্রে সম্ভাব্য হস্তান্তরের সময় এবং বিলম্ব হলে কী হবে—এসব বিষয় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে কি না দেখে নেওয়া উচিত।

🔎 বুকিংয়ের আগে যেসব বিষয় যাচাই করবেন

  • জমির মূল দলিল ও মালিকানা যাচাই করুন।
  • খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি সংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করুন।
  • প্রজেক্টের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখুন।
  • ১,৩৫০ স্কয়ার ফিট শেয়ারের প্রকৃত হিসাব বুঝে নিন।
  • সাড়ে ১৮ লাখ টাকার বাইরে অতিরিক্ত কোনো চার্জ আছে কি না জেনে নিন।
  • ৪০–৪২ লাখ টাকার মোট হিসাবের মধ্যে কোন কোন খরচ অন্তর্ভুক্ত তা লিখিতভাবে নিন।
  • নির্মাণের সময়সীমা ও হস্তান্তরের শর্ত চুক্তিতে আছে কি না দেখুন।
  • ফ্ল্যাটের নকশা, আয়তন ও ভবিষ্যৎ সুবিধাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
  • রাস্তার প্রকৃত প্রস্থ সরেজমিনে যাচাই করুন।
  • প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আইনজীবী বা সম্পত্তি বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে কাগজপত্র যাচাই করুন।

🎯 আপনার বাজেট যদি সীমিত হয়

উত্তরায় নিজের একটি ফ্ল্যাট করার স্বপ্ন অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু রেডি ফ্ল্যাটের তুলনামূলক বেশি দাম অনেক ক্রেতাকে বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করে। ল্যান্ড শেয়ারভিত্তিক মডেলে অপেক্ষাকৃত কম প্রাথমিক বিনিয়োগে ভবিষ্যতে ফ্ল্যাট পাওয়ার পরিকল্পনা করা যায়।

এখানে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাত্র সাড়ে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ১,৩৫০ স্কয়ার ফিটের ল্যান্ড শেয়ার এবং নির্মাণ খরচসহ আনুমানিক ৪০–৪২ লাখ টাকার মধ্যে ফ্ল্যাট সম্পন্ন করার সুযোগের কথা বলা হচ্ছে। তবে এটি একটি পরিকল্পিত/নির্মাণাধীন ধরনের বিনিয়োগ হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রকল্পের সব শর্ত ও কাগজপত্র যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

📲 বিস্তারিত তথ্য দেখতে চান?

লোকেশন, প্রজেক্ট এবং অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

👉 বিস্তারিত দেখুন

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পোস্টে উল্লেখিত মূল্য, নির্মাণ ব্যয়, সময়সীমা, লোকেশন ও অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট প্রজেক্টের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাস্তব মূল্য, নির্মাণ ব্যয়, সময় এবং অন্যান্য শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে। কোনো অর্থ প্রদান বা বুকিংয়ের আগে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বর্তমান তথ্য, কাগজপত্র, অনুমোদন এবং চুক্তির শর্ত যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।

EV মেলায় ১০ ঘন্টায় ফ্রি EV ড্রাইভিং লাইসেন্স

ভবিষ্যতের যাতায়াত আসছে আরও কাছে

একবার দেখলে হয়তো আপনার গাড়ি সম্পর্কে ধারণাই বদলে যাবে!

ইলেকট্রিক গাড়ি, স্মার্ট মোবিলিটি আর নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তির এক বিশেষ আয়োজন

গাড়ি মানেই শুধু ইঞ্জিনের শব্দ, জ্বালানি আর ধোঁয়া—এই ধারণা হয়তো খুব দ্রুত বদলে যেতে চলেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ি ও পরিবহন প্রযুক্তি ইতোমধ্যেই মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অংশ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে বাড়ছে Electric Vehicle বা EV নিয়ে মানুষের আগ্রহ।

আপনি হয়তো রাস্তায় ইতোমধ্যে ইলেকট্রিক গাড়ি, ইলেকট্রিক বাইক কিংবা আধুনিক ব্যাটারিচালিত যানবাহন দেখেছেন। কিন্তু এগুলোর প্রযুক্তি আসলে কতটা উন্নত? কোন ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়? একটি EV কত দ্রুত চার্জ হয়? ভবিষ্যতে চার্জিং স্টেশন কোথায় থাকবে? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে?

💡 কৌতূহলের বিষয়:
এসব প্রশ্ন শুধু অনলাইনে পড়ার পরিবর্তে সরাসরি বিভিন্ন প্রযুক্তি, গাড়ি ও সংশ্লিষ্ট পণ্য দেখার সুযোগও পাওয়া যেতে পারে।

🚗 যেখানে একই জায়গায় মিলতে পারে অনেক ধরনের EV প্রযুক্তি

এমন একটি আয়োজন আসছে যেখানে Electric Vehicle এবং Mobility Technology নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রযুক্তি, পণ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরবে। যারা গাড়ি ভালোবাসেন, নতুন প্রযুক্তি দেখতে পছন্দ করেন কিংবা ভবিষ্যতে Electric Vehicle কেনার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য আয়োজনটি বেশ আকর্ষণীয় হতে পারে।

শুধু গাড়ি দেখার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ নয়। Electric Vehicle-এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিশাল একটি প্রযুক্তিগত ecosystem—ব্যাটারি, চার্জিং ব্যবস্থা, মোটর, EV components, smart mobility এবং আধুনিক পরিবহন প্রযুক্তি। ফলে একটি EV মেলা আসলে ভবিষ্যতের পরিবহন ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ারও একটি সুযোগ।

🔋 শুধু গাড়ি নয়, নজরে থাকবে ব্যাটারি ও চার্জিং প্রযুক্তিও

একটি Electric Vehicle-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো এর battery system। ব্যাটারির capacity, charging technology, efficiency এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার—সবকিছুই একটি EV-এর ব্যবহারযোগ্যতার ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

তাই এই ধরনের প্রদর্শনীতে শুধু গাড়ির design নয়, EV battery, charging station এবং বিভিন্ন components সম্পর্কেও ধারণা নেওয়ার সুযোগ থাকে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে EV ব্যবহার বাড়লে charging infrastructure কীভাবে গড়ে উঠবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

⚡ ভবিষ্যতের পরিবহন কতটা বদলাতে পারে?

কম দূষণ, নতুন প্রযুক্তি, স্মার্ট mobility এবং বিকল্প শক্তির ব্যবহার—সব মিলিয়ে Electric Vehicle sector শুধু একটি গাড়ির বাজার নয়; এটি ভবিষ্যতের transportation ecosystem-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

🌍 আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণে আরও বড় পরিসরের আয়োজন

এই প্রদর্শনীটি শুধু স্থানীয় পর্যায়ের একটি ছোট আয়োজন নয়। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান এখানে নিজেদের প্রযুক্তি ও পণ্য উপস্থাপন করবে। ১৬টিরও বেশি দেশ থেকে অংশগ্রহণ এবং ২০০টিরও বেশি বুথ থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে।

ফলে একজন দর্শনার্থী একই জায়গায় বিভিন্ন ধরনের EV technology, mobility solution এবং সংশ্লিষ্ট পণ্য সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন। ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, গাড়িপ্রেমী, প্রযুক্তিপ্রেমী এবং সাধারণ দর্শনার্থী—সবার জন্যই এখানে দেখার মতো কিছু থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

🛵 দুই ও তিন চাকার বৈদ্যুতিক যানও থাকবে আলোচনায়

বাংলাদেশের মতো দেশে দুই ও তিন চাকার যানবাহনের ব্যবহার অত্যন্ত বেশি। তাই Electric mobility-এর প্রসারে electric two-wheeler এবং three-wheeler গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন প্রজন্মের এসব যানবাহনের design, battery technology, charging system এবং ব্যবহারিক সুবিধা দেখার সুযোগও এই ধরনের প্রদর্শনীকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

আপনি যদি ভবিষ্যতে একটি electric bike, scooter অথবা অন্য কোনো electric vehicle কেনার কথা ভাবেন, তাহলে বিভিন্ন প্রযুক্তি ও নির্মাতার পণ্য একসঙ্গে দেখার সুযোগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

আরও নিচে রয়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য...

মেলার জায়গাটি কোথায়?

অনেকক্ষণ ধরে মেলা সম্পর্কে জানলেন। এবার জেনে নিন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ আয়োজন।

📍 মেলার ঠিকানা জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন

ঠিকানা জানা হয়ে গেল...

আপনি কি মেলার তারিখ জানতে চান?

জায়গাটি জানা হলো। এবার জেনে নিন ঠিক কবে এবং কতক্ষণ চলবে এই আয়োজন।

📅 মেলা কবে হবে?

মেলার তারিখ ও সময় জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

⚡ BEVMX 2026 সম্পর্কে সংক্ষেপে

3rd Bangladesh Electric Vehicle & Mobility Exhibition (BEVMX 2026) বাংলাদেশের Electric Vehicle এবং Mobility sector-এর একটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। এখানে EV, battery, charging station, smart mobility এবং বিভিন্ন electric vehicle technology নিয়ে প্রদর্শনী ও উপস্থাপনা থাকবে।

যারা Electric Vehicle-এর বর্তমান প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কাছ থেকে দেখতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি আকর্ষণীয় আয়োজন।

🌱 ভবিষ্যতের পরিবহনকে কাছ থেকে দেখুন

Electric mobility কেবল একটি নতুন গাড়ি নয়—এটি পরিবহন ব্যবস্থার পরিবর্তনের একটি সম্ভাব্য অধ্যায়। তাই EV নিয়ে আপনার আগ্রহ থাকলে এই আয়োজনটি আপনার জন্য উপভোগ্য হতে পারে।

তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। মেলায় যাওয়ার আগে আয়োজকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া ভালো।

কোন চরে শতাংশ ৫০ এ জমি বিক্রি হচ্ছে?


🌾 অজানা এক চরাঞ্চলের গল্প

৫০ টাকা শতাংশে জমি!
বিশ্বাস করা কঠিন, কিন্তু এমন জমির কথাই ছড়িয়ে পড়েছে

যেখানে জমির দাম অবিশ্বাস্য রকম কম, অথচ মাটির উর্বরতা নিয়ে স্থানীয়দের রয়েছে অন্যরকম গল্প!

😲 মাত্র ৫০ টাকা শতাংশ!

ভাবুন তো—এক শতাংশ জমি কিনতে যদি বড় শহরে লাখ লাখ টাকা লাগে, সেখানে কোনো এক চরাঞ্চলে সেই একই এক শতাংশ জমির দাম নিয়ে শোনা যাচ্ছে মাত্র ৫০ টাকা!

কথাটা শুনলে অবিশ্বাস্য লাগতেই পারে। কেউ হয়তো বলবেন, “এটা কি সত্যিই সম্ভব?” আবার কেউ হয়তো ভাববেন, “এত সস্তা হলে নিশ্চয়ই কোনো ব্যাপার আছে!”

আসলেই এখানে গল্পটা একটু অন্যরকম। কারণ এটি শহরের মাঝখানের জমি নয়। এটি এমন একটি চরাঞ্চল, যেখানে নদী, পলি, কৃষি, বসতি আর প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

আর এখানেই আসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এত কম দামের জমি কি আসলেই কোনো কাজে আসে?

🌊 নদী যেখানে জমি তৈরি করে

নদীর চর মানেই শুধু বালু আর পানি—এমন ধারণা অনেকের। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় এমন নয়। বড় নদীর বয়ে আনা পলি বছরের পর বছর জমতে জমতে অনেক জায়গায় নতুন ভূমি তৈরি করে। সেই নতুন মাটিতে একসময় ঘাস জন্মায়, তারপর কৃষিকাজ শুরু হয়, ধীরে ধীরে মানুষের বসতি গড়ে ওঠে।

এই ধরনের চরাঞ্চলের মাটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো নদীবাহিত পলি। এই পলিতে বিভিন্ন খনিজ ও জৈব উপাদান জমা হতে পারে, যা অনেক ধরনের কৃষিকাজের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে।

🌱 সস্তা জমির চেয়েও বড় আকর্ষণ—উর্বর মাটি

চরাঞ্চলের ভালো জমিতে ধান, ভুট্টা, গম, বিভিন্ন শাকসবজি, ডালজাতীয় ফসলসহ নানা মৌসুমি ফসল উৎপাদনের সুযোগ থাকতে পারে। কোথাও কোথাও একই জমিতে মৌসুম পরিবর্তনের সঙ্গে বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয়।

🌽 একবার ফসল নয়—বারবার চাষের সম্ভাবনা

এই গল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা এখানেই। জমির দাম কম হলেও যদি জমি কৃষির জন্য ভালো হয়, তাহলে সেটি শুধু ভবিষ্যতের জমি হিসেবে নয়, বর্তমানেও কৃষিকাজের সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর নতুন পলি জমা হলে অনেক চরাঞ্চলে কৃষকেরা দ্রুত জমিতে ফসল আবাদ শুরু করেন। মাটির প্রকৃতি, জমির উচ্চতা এবং পানির পরিস্থিতি অনুকূল হলে সেখানে বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের আবাদ করা সম্ভব হয়।

অর্থাৎ গল্পটি শুধু “৫০ টাকা শতাংশে জমি” নয়। বরং প্রশ্ন হলো—কম দামে পাওয়া এমন জমি ভবিষ্যতে কতটা মূল্যবান হতে পারে?

💰 কিন্তু ৫০ টাকা কি সত্যিই বর্তমান দাম?

এখানেই একটু সতর্ক হওয়া দরকার। ৫০ টাকা শতাংশের যে তথ্য পাওয়া যায়, সেটিকে বর্তমান নিশ্চিত বাজারদর হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। বিভিন্ন সময়ের স্থানীয় প্রচার, পুরোনো জমি বিক্রির তথ্য এবং চরাঞ্চলের জমির দামের মধ্যে বড় পার্থক্য থাকতে পারে।

নন্দলালপুর চর ও আশপাশের চরাঞ্চল নিয়ে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কোথাও প্রায় ১,০০০–১,২০০ টাকা শতাংশ দামের কথা পাওয়া গেছে। আবার কিছু জায়গায় প্রায় ২,০০০ টাকা শতাংশ বা তার কাছাকাছি দামের তথ্যও পাওয়া যায়।

🔥 প্রচারিত সর্বনিম্ন দামের চমক
৫০ টাকা / শতাংশ
এটি স্থানীয়/পুরোনো প্রচারভিত্তিক তথ্য; বর্তমান নিশ্চিত বাজারদর নয়।

বাস্তবে জমির অবস্থান, দখল, উচ্চতা, রাস্তা বা ঘাটের কাছাকাছি হওয়া, কৃষি উপযোগিতা এবং নদীভাঙনের ঝুঁকির ওপর ভিত্তি করে দাম অনেকটা পরিবর্তিত হতে পারে।

🏡 আজ সস্তা, কাল কি দাম বাড়তে পারে?

চরাঞ্চলের জমির ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি স্বাভাবিক। যদি কোনো এলাকায় ধীরে ধীরে স্থায়ী বসতি বাড়ে, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়, বাজার তৈরি হয় এবং মানুষের চলাচল সহজ হয়, তাহলে জমির চাহিদা বাড়তে পারে।

কিন্তু এখানে কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ চরাঞ্চলের জমির সঙ্গে একটি বড় ঝুঁকি সবসময় থাকে—নদীভাঙন।

যে জমি আজ আপনার চোখের সামনে সবুজ ফসলের মাঠ, কয়েক বছর পর নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে সেটি ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। তাই সস্তা জমির সবচেয়ে বড় আকর্ষণের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় ঝুঁকিটিও বুঝতে হবে।

⚠️ জমি কিনতে চাইলে আবেগ নয়, আগে যাচাই

  • জমির দাগ নম্বর যাচাই করুন
  • CS, SA, RS ও BS খতিয়ান দেখুন
  • বিক্রেতার মালিকানা যাচাই করুন
  • জমি খাস কি না নিশ্চিত করুন
  • বর্তমান দখল কার কাছে দেখুন
  • জমির প্রকৃত অবস্থান সরেজমিনে দেখুন
  • নদীভাঙনের পুরোনো ইতিহাস জানুন
  • বর্ষাকালে জমির অবস্থা কেমন হয় জেনে নিন

🌾 কেন কৃষকের কাছে এই চর আকর্ষণীয় হতে পারে?

বড় কারণ হলো জমির পরিমাণ ও মাটির প্রকৃতি। শহরের ছোট প্লটের তুলনায় চরাঞ্চলে তুলনামূলক বড় জমি পাওয়া যেতে পারে। আর যদি জমি উর্বর হয়, তাহলে কৃষিকাজের মাধ্যমে জমির ব্যবহারিক মূল্য পাওয়া সম্ভব।

ধান, ভুট্টা, সবজি, ডালসহ বিভিন্ন ফসলের জন্য চরাঞ্চলের জমি ব্যবহার করা হয়। তবে প্রতিটি জমির মাটি একরকম নয়। তাই নির্দিষ্ট জমি কেনার আগে স্থানীয় কৃষক ও অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছ থেকে জমির উৎপাদনক্ষমতা সম্পর্কে বাস্তব তথ্য নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

🌱 জমির আসল শক্তি

কম দাম + পলিমাটি + কৃষির সম্ভাবনা = দীর্ঘমেয়াদে আকর্ষণীয় হতে পারে
তবে নদীভাঙনের ঝুঁকি অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

🤫 এতক্ষণ জায়গাটার নাম বলিনি কেন?

কারণ এই গল্পের সবচেয়ে মজার অংশটি এখনো বাকি।

যে চর নিয়ে এতক্ষণ কথা হলো, সেটি বাংলাদেশেরই একটি নদীবেষ্টিত এলাকায়। সেখানে জমির কম দাম, কৃষির সম্ভাবনা, নদীপথে যোগাযোগ এবং চরজীবনের আলাদা বাস্তবতা—সবকিছু মিলিয়ে জায়গাটি কৌতূহল তৈরি করার মতো।

আপনি যদি জানতে চান সেই জায়গাটি ঠিক কোথায় এবং ঢাকা থেকে কীভাবে সেখানে যাওয়া যায়, নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

তথ্যসূত্র ও সতর্কতা:
জমির মূল্য স্থানীয় প্রচার ও প্রকাশ্য তথ্যের ভিত্তিতে আনুমানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। জমি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস ও স্থানীয়ভাবে তথ্য যাচাই করা আবশ্যক।

এয়ারপোর্টের কাছে ৩ কাঠা জমি ১৩ লাখে কিনতে পাচ্ছেন


✈️ এয়ারপোর্টের খুব কাছে

মাত্র ২৫ মিনিটের দূরত্বে ৩ কাঠা জমি!

মাত্র ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা-তে জমি কেনার সুযোগ

🔥 সীমিত দামের জমির অফার

যারা ঢাকার এয়ারপোর্টের কাছাকাছি তুলনামূলক কম দামে জমি খুঁজছেন, তাদের জন্য এই জমির অফারটি হতে পারে আগ্রহের একটি সুযোগ।

🏡 মাত্র ৩ কাঠা জমি — দাম ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা

এয়ারপোর্ট থেকে মাত্র প্রায় ২৫ মিনিটের দূরত্বে জমি বিক্রির এই অফারটি ইতোমধ্যে অনেকের আগ্রহ তৈরি করতে পারে। এখানে ৩ কাঠা জমির দাম বলা হচ্ছে মাত্র ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ঢাকার আশেপাশে ভবিষ্যতের জন্য জমি কিনতে চান, বাড়ি করার পরিকল্পনা করছেন, অথবা তুলনামূলক কম বাজেটে একটি জমি খুঁজছেন—তাদের জন্য বিষয়টি বিস্তারিত যাচাই করে দেখা যেতে পারে।

📐
জমির পরিমাণ
৩ কাঠা
💰
দাম
১৩.৫০ লাখ টাকা
✈️
এয়ারপোর্ট থেকে
প্রায় ২৫ মিনিট

📍 কোথায় এই জমি?

জমিটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান, যাতায়াতের ব্যবস্থা, আশেপাশের এলাকার বিস্তারিত তথ্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করে প্রকাশিত ভিডিওটি দেখুন।

👇

বিস্তারিত তথ্য দেখতে ক্লিক করুন

জমির লোকেশন, বিস্তারিত তথ্য ও অন্যান্য বিষয় জানতে ভিডিওটি দেখুন।

🎥 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন

🌱 কেনার আগে যেসব বিষয় যাচাই করবেন

জমি কেনার আগে শুধু দাম বা দূরত্বের তথ্যের ওপর নির্ভর না করে দলিলপত্র, খতিয়ান, নামজারি, দখল, রাস্তার প্রস্থ, জমির শ্রেণি, মালিকানা এবং স্থানীয় ভূমি অফিসের রেকর্ড ভালোভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

একই সঙ্গে সরেজমিনে গিয়ে জমির অবস্থান দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে কাগজপত্র যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

🏠 ৩ কাঠা জমি • ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা
✈️ এয়ারপোর্টের কাছাকাছি • প্রায় ২৫ মিনিটের দূরত্ব

নোট: জমি কেনার আগে মূল্য, লোকেশন, মালিকানা, কাগজপত্র ও অন্যান্য তথ্য সরেজমিনে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।

✈️ জমি কিনুন যাচাই করে, সিদ্ধান্ত নিন বুঝে

বসুন্ধরায় ৭৮০০ তে বাসা ভাড়া নিন



🔥 বসুন্ধরায় মাত্র ৳৭,৮০০!

💰 মাসিক ভাড়া: ৳৭,৮০০
বসুন্ধরা R/A-তে এত কম ভাড়ায় একটি থাকার জায়গা! তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে—এটি কিচেন ছাড়া একটি ছোট বাসা/রুমের listing।
তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
⚠️ দুঃখিত! এই বাসাটি ইতোমধ্যে ভাড়া হয়ে গেছে।
📍 এলাকা: বসুন্ধরা R/A
💰 ভাড়া: ৳৭,৮০০/মাস
🍳 কিচেন: নেই
🏠 অবস্থা: ইতোমধ্যে ভাড়া হয়ে গেছে
😌 তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই!
এই বাসাটি ভাড়া হয়ে গেলেও বসুন্ধরা R/A-তেই নিচে আরও ১০টি তুলনামূলক কম ভাড়ার ফ্ল্যাট দেওয়া হয়েছে। আপনার বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী নিচের তালিকা থেকে পছন্দের ফ্ল্যাটটি দেখে নিতে পারেন।
👇 নিচের ১০টি ফ্ল্যাট দেখুন

🏠 বসুন্ধরা R/A-তে ভাড়ার ১০টি ফ্ল্যাট

কম ভাড়ার আকর্ষণীয় কিছু ফ্ল্যাটের তালিকা।
ভাড়ার পরিমাণ ও সম্পূর্ণ তথ্য জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

১. ১,২০০ sqft-এর সুন্দর পারিবারিক ফ্ল্যাট

বসুন্ধরা R/A-তে ৩ বেডরুমের একটি ফ্ল্যাট। লিফট, জেনারেটর, গ্যাস ও পার্কিং সুবিধাসহ পরিবারের জন্য বিবেচনা করার মতো একটি অপশন।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২০,০০০
📐 আয়তন: ১,২০০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ২টি Attached
🏢 তলা: ১ম
🚗 পার্কিং: ১টি
🌿 বারান্দা: ২টি
💳 অগ্রিম: ১ মাসের ভাড়া
🧾 Service Charge: ৳৪,৫০০/মাস
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192218
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

২. ১,২০০ sqft-এর ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাট

বসুন্ধরা R/A-তে ৩ বেডরুমের এই ফ্ল্যাটে রয়েছে ৩টি বারান্দা, পার্কিং, লিফট ও জেনারেটর। যারা একটু উঁচু তলায় থাকতে চান তাদের জন্যও আকর্ষণীয়।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২২,০০০
📐 আয়তন: ১,২০০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ২টি Attached
🏢 তলা: ৮ম
🚗 পার্কিং: ১টি
🌿 বারান্দা: ৩টি
💳 অগ্রিম: ১ মাসের ভাড়া
🧾 Service Charge: Negotiable
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192217
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

৩. ১,২০০ sqft-এর ৩ বেডরুমের আরেকটি অপশন

কম বাজেটে বসুন্ধরা R/A-তে ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাট খুঁজছেন? এই ফ্ল্যাটে পার্কিং, লিফট ও জেনারেটরসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা রয়েছে।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২৫,০০০
📐 আয়তন: ১,২০০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ২টি Attached
🏢 তলা: ৪র্থ
🚗 পার্কিং: ১টি
🌿 বারান্দা: ১টি
💳 অগ্রিম: ১ মাসের ভাড়া
🧾 Service Charge: Negotiable
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192222
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

৪. ১,৫০০ sqft-এর প্রশস্ত ৩ বেডরুম

বড় জায়গার প্রয়োজন হলে এই ১,৫০০ sqft-এর ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাটটি দেখতে পারেন। ৩টি বাথরুম ও পার্কিং সুবিধা রয়েছে।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২৫,০০০
📐 আয়তন: ১,৫০০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ৩টি Attached
🏢 তলা: ৩য়
🚗 পার্কিং: ১টি
🌿 বারান্দা: ৫টি
🧾 Service Charge: ৳৫,০০০/মাস
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192227
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

৫. ১,৪০০ sqft-এর বড় ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাট

৩ বেডরুমের পাশাপাশি ৪টি বাথরুম রয়েছে। ১,৪০০ sqft-এর এই ফ্ল্যাটে পার্কিং, লিফট ও জেনারেটরও আছে।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২৫,০০০
📐 আয়তন: ১,৪০০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ৪টি
🏢 তলা: ২য়
🚗 পার্কিং: ১টি
🌿 বারান্দা: ৪টি
💳 অগ্রিম: Negotiable
🧾 Service Charge: Negotiable
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192236
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

৬. ১,৪৫০ sqft-এর আকর্ষণীয় ৩ বেডরুম

তিন বেডরুম, তিন বাথরুম ও পার্কিংসহ ১,৪৫০ sqft-এর একটি পারিবারিক ফ্ল্যাট। দুইটি বারান্দাও রয়েছে।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২২,০০০
📐 আয়তন: ১,৪৫০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ৩টি Attached
🏢 তলা: ৩য়
🚗 পার্কিং: ১টি
🌿 বারান্দা: ২টি
🚽 Staff Toilet: ১টি
💳 অগ্রিম: Negotiable
🧾 Service Charge: ৳৪,০০০/মাস
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192238
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

৭. ১,১৬০ sqft-এর তুলনামূলক কম বাজেটের ফ্ল্যাট

১,১৬০ sqft-এর এই ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাটে ৩টি Attached Bathroom, দুইটি বারান্দা, লিফট ও জেনারেটর রয়েছে।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২১,০০০
📐 আয়তন: ১,১৬০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ৩টি Attached
🏢 তলা: ২য়
🚗 পার্কিং: বিজ্ঞাপনে উল্লেখ নেই
🌿 বারান্দা: ২টি
💳 অগ্রিম: Negotiable
🧾 Service Charge: Negotiable
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192242
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

৮. ১,৪৬০ sqft-এর ৩ বেডরুমের প্রশস্ত ফ্ল্যাট

বড় পরিবারের জন্য ভালো হতে পারে এমন একটি প্রশস্ত ফ্ল্যাট। তিন বেডরুম, তিন বাথরুম, তিনটি বারান্দা এবং একটি Staff Room রয়েছে।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২২,০০০
📐 আয়তন: ১,৪৬০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ৩টি Attached
🏢 তলা: ৩য়
🚗 পার্কিং: ১টি
🌿 বারান্দা: ৩টি
🛏️ Staff Room: ১টি
🚽 Staff Toilet: ১টি
🧾 Service Charge: ৳৫,০০০/মাস
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 192244
Source: Pbazaar 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

৯. Brand-New ৩ বেডরুমের ফ্যামিলি ফ্ল্যাট

Bashundhara R/A-তে নতুন ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাট। বিজ্ঞাপন অনুযায়ী এটি Family Only এবং ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২৭,০০০
📐 আয়তন: ১,৫০০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ৩টি
🏢 তলা: ৬ষ্ঠ
🚗 পার্কিং: আছে
🌿 Balcony: আছে
👨‍👩‍👧‍👦 Tenant: Family Only
🧾 Service Charge: ৳৫,০০০/মাস
📍 এলাকা: Bashundhara R/A, Dhaka
🆔 Property ID: 210014
Source: BariPlus 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন

১০. Family Only — ১,৫০০ sqft-এর ফ্ল্যাট

পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট ৩ বেডরুমের একটি ফ্ল্যাট। ২টি বারান্দা, পার্কিং, লিফট ও security facility রয়েছে।

তথ্য লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে ৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
💰 মাসিক ভাড়া: ৳২৭,০০০
📐 আয়তন: ১,৫০০ sqft
🛏️ বেডরুম: ৩টি
🚿 বাথরুম: ৩টি
🏢 তলা: ৬ষ্ঠ
🚗 পার্কিং: আছে
🌿 বারান্দা: ২টি
🧭 Facing: North Facing
👨‍👩‍👧‍👦 Tenant: Family Only
🧾 Service Charge: ৳৫,০০০/মাস
📍 এলাকা: Bashundhara, Dhaka North City
🆔 Property ID: 210014
Source: BariPlus 🔗 এই ফ্ল্যাটের মূল বিজ্ঞাপন দেখুন 📷 এই ফ্ল্যাটের ছবি দেখুন
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: ভাড়া ও availability দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। মূল বিজ্ঞাপনে যোগাযোগ করে ফ্ল্যাট খালি আছে কি না, অগ্রিম, service charge এবং অন্যান্য শর্ত নিশ্চিত করে নিন।

২ লাখে ফ্ল্যাট কোথায়?


মাত্র ২ লাখে ফ্ল্যাট

টঙ্গী কলেজ গেটের কাছে ১৫ তলা আবাসিক ভবন প্রকল্পে জমি ফ্ল্যাট মালিকানার সুযোগ

গুরুত্বপূর্ণ: এখানে ২ লাখ টাকা সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটের মূল্য নয়। প্রচারিত ধারণা অনুযায়ী, এটি প্রকল্পের জমির শেয়ার/প্রাথমিক অংশগ্রহণের অর্থ। মোট ফ্ল্যাট মূল্য, নির্মাণ ব্যয়, কিস্তি ও অন্যান্য চার্জ চুক্তিপত্র দেখে নিশ্চিত করতে হবে।

🏢 প্রকল্পটি কীভাবে কাজ করবে?

কম প্রাথমিক অর্থে আবাসিক প্রকল্পে অংশ নেওয়ার ধারণাকে কেন্দ্র করে এই ফ্ল্যাট শেয়ার প্রকল্পটি প্রচার করা হচ্ছে। ধারণাটি হলো—প্রথমে প্রকল্পের জমির একটি শেয়ার নেওয়া এবং পরবর্তীতে সেই প্রকল্পের নির্মাণাধীন আবাসিক ভবনে নির্ধারিত ফ্ল্যাটের সঙ্গে যুক্ত হওয়া।

প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটিতে ১৫ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং একটি ফ্ল্যাটের আয়তন ১,৫৫২ স্কয়ার ফিট হিসেবে দেখানো হয়েছে।

📌 প্রকল্পের প্রধান তথ্য

💰 প্রাথমিক শেয়ার: ২ লাখ টাকা থেকে

🏠 ভবনের ধরন: ১৫ তলা আবাসিক ভবন

📐 প্রচারিত ফ্ল্যাটের আয়তন: ১,৫৫২ স্কয়ার ফিট

📍 অবস্থান: টঙ্গী কলেজ গেটের কাছাকাছি

🛣️ যোগাযোগ: টঙ্গী–আশুলিয়া সড়কের আশপাশের এলাকা

🏗️ প্রকল্পের অবস্থা: নির্মাণাধীন

📍 টঙ্গী কলেজ গেটের কাছে অবস্থান

প্রকল্পটির অবস্থান হিসেবে টঙ্গী কলেজ গেটের কাছাকাছি এলাকা এবং টঙ্গী–আশুলিয়া সড়কের আশপাশের অঞ্চল দেখানো হয়েছে। ঢাকার উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি টঙ্গী ও আশপাশের আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার কারণে এ ধরনের প্রকল্পের প্রতি আগ্রহ তৈরি হতে পারে।

🏗️ নির্মাণাধীন আবাসিক প্রকল্প

প্রচারমূলক ভিডিওতে নির্মাণাধীন দুটি কংক্রিটের বহুতল ভবন এবং প্রকল্পের নির্মাণকাজের বিভিন্ন দৃশ্য দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ফ্ল্যাটের সম্ভাব্য লিভিং রুম, বেডরুম ও বাথরুমের আধুনিক ডিজাইনের রেন্ডার বা ভিজ্যুয়ালও ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে রেন্ডার করা ছবি বা ভিডিওতে দেখানো ইন্টেরিয়র ডিজাইনকে চূড়ান্ত নির্মাণমান বা নিশ্চিত হস্তান্তর সুবিধা হিসেবে বিবেচনা করার আগে লিখিত চুক্তি ও প্রকল্পের অনুমোদিত নকশা যাচাই করা উচিত।

💰 ২ লাখ টাকায় আসলে কী পাওয়া যাবে?

এই অফারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ২ লাখ টাকা দিয়ে ঠিক কী অধিকার বা শেয়ার পাওয়া যাচ্ছে তা স্পষ্টভাবে জানা। এটি জমির অংশীদারিত্ব, বুকিং, ডাউন পেমেন্ট, সদস্যপদ বা অন্য কোনো চুক্তিভিত্তিক অধিকার হতে পারে।

তাই টাকা দেওয়ার আগে লিখিতভাবে জানতে হবে—২ লাখ টাকার বিপরীতে জমির কত অংশ, কোন ইউনিট বা ফ্ল্যাটের সঙ্গে সম্পর্ক, ভবিষ্যতে কত টাকা নির্মাণ ব্যয় দিতে হবে এবং মোট কত টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের মালিকানা পাওয়া যাবে।

✅ বুকিংয়ের আগে যেসব তথ্য জেনে নেবেন

  • মোট ফ্ল্যাট মূল্য কত?
  • ২ লাখ টাকা কি জমির শেয়ারের মূল্য, নাকি ডাউন পেমেন্ট?
  • জমির মোট আয়তন কত?
  • একজন ক্রেতা কতটুকু জমির শেয়ার পাবেন?
  • নির্মাণ ব্যয় আলাদাভাবে দিতে হবে কি না?
  • মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তির পরিমাণ কত?
  • মোট কতটি কিস্তি দিতে হবে?
  • ফ্ল্যাট হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় কখন?
  • রেজিস্ট্রেশন, ইউটিলিটি ও অন্যান্য খরচ কে বহন করবে?

⚖️ আইনজীবীর দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ যাচাই

জমির শেয়ার এবং নির্মাণাধীন ফ্ল্যাটের মতো প্রকল্পে অর্থ দেওয়ার আগে শুধু বিজ্ঞাপন বা ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

  1. জমির দলিল: মূল দলিল, বায়া দলিল ও মালিকানার ধারাবাহিকতা যাচাই করুন।
  2. খতিয়ান ও নামজারি: জমির খতিয়ান, নামজারি এবং বর্তমান মালিকানা পরীক্ষা করুন।
  3. বন্ধক বা দায়: জমিটি কোনো ব্যাংক ঋণ, বন্ধক বা মামলার সঙ্গে যুক্ত কি না যাচাই করুন।
  4. অনুমোদিত নকশা: ১৫ তলা ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না যাচাই করুন।
  5. জমির শেয়ার চুক্তি: ২ লাখ টাকার বিনিময়ে ঠিক কী অধিকার সৃষ্টি হচ্ছে তা চুক্তিতে স্পষ্ট থাকতে হবে।
  6. নির্মাণ ব্যয়: জমির শেয়ারের বাইরে ভবন নির্মাণের জন্য মোট কত টাকা দিতে হবে তা লিখিতভাবে নিন।
  7. ফ্ল্যাট বরাদ্দ: নির্দিষ্ট ফ্ল্যাট নম্বর, তলা, আয়তন ও পার্কিংয়ের বিষয়টি চুক্তিতে উল্লেখ আছে কি না দেখুন।

⚠️ টাকা দেওয়ার আগে সতর্ক থাকুন

শুধু “২ লাখে ফ্ল্যাট” শিরোনাম দেখে সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট মাত্র ২ লাখ টাকায় পাওয়া যাবে—এমন ধারণা করা উচিত নয়। জমির শেয়ার, নির্মাণ ব্যয়, কিস্তি এবং অন্যান্য চার্জ মিলিয়ে প্রকৃত মোট ব্যয় লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন। দলিল ও অনুমোদন যাচাই না করে কোনো অগ্রিম অর্থ প্রদান না করাই নিরাপদ।

🏠 ১,৫৫২ স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট

প্রচারিত প্রকল্পে ১,৫৫২ স্কয়ার ফিট আয়তনের আবাসিক ফ্ল্যাটের কথা বলা হয়েছে। ভিডিওতে ভবিষ্যৎ ফ্ল্যাটের লিভিং রুম, বেডরুম এবং বাথরুমের আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ভিজ্যুয়াল দেখানো হয়েছে।

তবে প্রকৃত ফ্ল্যাটের আয়তন, কক্ষের বিন্যাস, বারান্দা, পার্কিং, কমন স্পেস এবং অন্যান্য সুবিধা অনুমোদিত নকশা ও চুক্তিপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা উচিত।

📞 যোগাযোগ

প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে:

প্রকল্প দেখুন যোগাযোগ

❓ সাধারণ প্রশ্ন

প্রশ্ন: ২ লাখ টাকায় কি পুরো ফ্ল্যাট পাওয়া যাবে?

উত্তর: না। প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী ২ লাখ টাকা জমির শেয়ার বা প্রাথমিক অংশগ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত। মোট ফ্ল্যাট মূল্য ও নির্মাণ ব্যয় আলাদাভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশ্ন: প্রকল্পটি কোথায়?

উত্তর: টঙ্গী কলেজ গেটের কাছাকাছি এবং টঙ্গী–আশুলিয়া সড়ক এলাকার আশপাশে প্রকল্পটির অবস্থান দেখানো হয়েছে।

প্রশ্ন: ফ্ল্যাটের আয়তন কত?

উত্তর: প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী ১,৫৫২ স্কয়ার ফিট। চূড়ান্ত আয়তন অনুমোদিত নকশা ও চুক্তিপত্র থেকে নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশ্ন: কিস্তির সুবিধা আছে কি?

উত্তর: প্রচারণায় কিস্তি নিয়ে আগ্রহ দেখা গেলেও নির্দিষ্ট কিস্তির সংখ্যা ও পরিমাণ এখানে উল্লেখ করা হয়নি। প্রকল্প কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত কিস্তি সূচি সংগ্রহ করুন।

টঙ্গীতে জমির শেয়ারসহ ফ্ল্যাট প্রকল্প

১৫ তলা আবাসিক ভবন | ১,৫৫২ স্কয়ার ফিট | টঙ্গী কলেজ গেটের কাছে

এখনই বিস্তারিত জানুন

ডিসক্লেইমার: এই পোস্টে দেওয়া প্রকল্পসংক্রান্ত তথ্য প্রচারমূলক ভিডিও/প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি কোনো আইনি, আর্থিক বা বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। জমির মালিকানা, অনুমোদন, চুক্তি, মোট মূল্য ও প্রকল্পের অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।